বি.সি.এস একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ

বি.সি.এস শব্দের অর্থ সংক্ষিপ্ত হলেও এর আওতা অত্যন্ত ব্যপক। জীবনে নিরাপত্তার একটি সোপান হতে পারে বি.সি.এস চাকুরি ওরফে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে চাকুরি। তথাকথিত বিভিন্ন বিষয় সন্নিবেশ আকারে সাজানো-গোছানো করার পরও হয়তো অনেক বিষয় বাদই দিতে হয়, কেননা সমস্ত কিছু থেকে বি.সি.এস পরীক্ষায় সব প্রশ্ন আসে না। কেবলমাত্র নিজের মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও তথ্যবহুল বিষয়গুলো খুঁজে তার যথাযথ প্রয়োগ করে নিজেকে যাচাই করাই বি.সি.এস প্রস্তুতি। একাডেমিক পরীক্ষা কেবলমাত্র বি.সি.এস এর জগতে প্রবেশের দ্বার মাত্র। নিজেকে শ্রেষ্ঠতর জ্ঞান দ্বারা সজ্জিত করে রণক্ষেত্রে প্রবেশ করতে অনেকেই ভয় পায়, কেননা সেখানে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু অলসতাতেও মৃত্যু অনিবার্য। কঠোর পরিশ্রম করে অথবা প্রাণঘাতী যুদ্ধে নিজের বলিদান কেউই হয়তো ভালো চোখে দেখে না। কিন্তু অলসের মতো নিজের গা ভাসিয়ে চলাও কি আত্মহনন নয়? চেষ্টা করে দেখাই যাক না। ব্যর্থতা আসার আগ পর্যন্ত নিজেকে যাচাই করতে কোনরূপ দ্বিধা বা অলসতায় ডুবে যাওয়া চলবে না, আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে দৈনন্দিন বিষয়গুলো যাচাই বাছাই করে যুদ্ধক্ষেত্রে নামা উচিত। কোন যোদ্ধাই যুদ্ধ ছেড়ে পলায়ন করতে পারেনা, যারা পারে তারাতো যোদ্ধাই নয়। তারা বেগধারী। তাদের দ্বারা যুদ্ধ সম্ভব নয়, কেবলমাত্র অপরের গলগ্রহ হয়ে নিন্দা এবং অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হয়। বি.সি.এস শব্দের অর্থ সংক্ষিপ্ত হলেও এর আওতা অত্যন্ত ব্যপক। জীবনে নিরাপত্তার একটি সোপান হতে পারে বি.সি.এস চাকুরি ওরফে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে চাকুরি। তথাকথিত বিভিন্ন বিষয় সন্নিবেশ আকারে সাজানো-গোছানো করার পরও হয়তো অনেক বিষয় বাদই দিতে হয়, কেননা সমস্ত কিছু থেকে বি.সি.এস পরীক্ষায় সব প্রশ্ন আসে না। কেবলমাত্র নিজের মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও তথ্যবহুল বিষয়গুলো খুঁজে তার যথাযথ প্রয়োগ করে নিজেকে যাচাই করাই বি.সি.এস প্রস্তুতি। একাডেমিক পরীক্ষা কেবলমাত্র বি.সি.এস এর জগতে প্রবেশের দ্বার মাত্র। নিজেকে শ্রেষ্ঠতর জ্ঞান দ্বারা সজ্জিত করে রণক্ষেত্রে প্রবেশ করতে অনেকেই ভয় পায়, কেননা সেখানে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু অলসতাতেও মৃত্যু অনিবার্য। কঠোর পরিশ্রম করে অথবা প্রাণঘাতী যুদ্ধে নিজের বলিদান কেউই হয়তো ভালো চোখে দেখে না। কিন্তু অলসের মতো নিজের গা ভাসিয়ে চলাও কি আত্মহনন নয়? চেষ্টা করে দেখাই যাক না। ব্যর্থতা আসার আগ পর্যন্ত নিজেকে যাচাই করতে কোনরূপ দ্বিধা বা অলসতায় ডুবে যাওয়া চলবে না, আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে দৈনন্দিন বিষয়গুলো যাচাই বাছাই করে যুদ্ধক্ষেত্রে নামা উচিত। কোন যোদ্ধাই যুদ্ধ ছেড়ে পলায়ন করতে পারেনা, যারা পারে তারাতো যোদ্ধাই নয়। তারা বেগধারী। তাদের দ্বারা যুদ্ধ সম্ভব নয়, কেবলমাত্র অপরের গলগ্রহ হয়ে নিন্দা এবং অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হয়।  বি.সি.এস এর প্রত্যেকটি বিষয়টি অত্যন্ত সাজিয়ে গুছিয়ে নিজের মতো করে পড়া উচিত। কেননা নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শিক্ষক। নিজের দূর্বলতাগুলো নিজেকেই বের করতে হবে। সেই কঠিন দায়িত্ব নিজে করতে পারলে অপরের সহায়তার সুযোগ নিতে হয় কম। তাও বিভিন্ন গ্রন্থের এবং ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় তা আরো সহজ হয়ে উঠে।  বি.সি.এস এ উল্লেখিত বিষয়সমূহ সমান গুরুত্ব দিয়ে পড়া উচিত। কেননা এখানে নাম্বার সবচেয়ে বড় বিষয়। কি বাদ দিয়ে পড়তে হবে পরীক্ষার ধরণ অনুযায়ী তা নিজেই বাছাই করাই বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে। প্রতিদিনের নির্ধারিত পড়ার উপরে পরীক্ষা নিয়ে নিজেকে যাচাই করতে করতেই তো স্বপ্নের সিড়ি পর্যন্ত পৌছানো যাবে।  তারই ধারাবাহিকতায় এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। মানুষ ভুলত্রুটির উর্ধ্বে নয়। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটিগুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখে হয়তো বি.সি.এস এর এই সাইট থেকে বেশি না হলেও নিদেনপক্ষে কিছু বিষয় পাওয়া যাবে যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হতে পারে।

Advertisements